Sunday, July 12, 2020

আংগুল দিয়ে কথা | SPEAKING WITH FINGERS | John Ovi Rozario


আংগুল দিয়ে কথা

- JOHN OVI ROZARIO


এতোদিন আমি জানতাম, মানুষ কথা বলে মুখ দিয়ে। কিন্তু, এই বিংশ শতাব্দীতে এসে অনেক উদ্ভট উদ্ভট কত কিছু জানতে পারলাম। মানুষ এখন আংগুল দিয়ে টিপে টিপে ম্যাসেঞ্জারে এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চ্যাটিং করাকেই বলে 'কথা বলা'। কানে ফোন দিয়ে কথা বলা যায় দেখেছি, তাই বলে আঙুল দিয়ে? কথা যদি আংগুল দিয়েই বলা যেতো তবে, মুখের সৃষ্টি কি আদৌ আমাদের হতো??


২০০৯-১০ সাল পর্যন্ত আমাদের এই বাংলাদেশ ছিল পৃথিবীর গরীব দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। দেশের আয় ও উন্নতির বিকাশের অন্যতম ভূমিকায় ছিল তখন বাংলাদেশের প্রবাসীরা। কিন্তু, তাদের সাথে পরিবারগুলোর যোগাযোগের মূল রাস্তা ছিল চিঠিপত্র। থাকলেই বা কি হবে? সেই সময়গুলোতে তো প্রবাসীদের বেশির ভাগই অক্ষর জ্ঞাণ বলতেও ছিলো না। আবার অন্যদিকে, এনালগ টেলিফোন ছিলো যোগাযোগ করার অন্য আরেকটি মাধ্যম, যার খরচ বহন করার ক্ষমতাও দুঃসহ ছিল।


আমাদের দেশের অতীত ঘাটলে দেখা যাবে যে, সেই সময় মধ্যপ্রাচ্যে টেলিফোনে কথা বলতে গেলে মিনিট প্রতি ৩০-৮০ টাকা ব্যয় হতো, যুক্তরাষ্ট্রে লাগতো ৫০-১০০ টাকা, যুক্তরাজ্যে ৮০-১২০ টাকা; অনেক অনেক দেশে আরো বেশী লাগতো। সেই সুবাদে প্রযুক্তি আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা এত সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী করে দিয়েছে, যাতে আমরা কম খরচে নিজের আপন মানুষজনের সাথে প্রয়োজনীয় কথাবার্তা বা যোগাযোগ বজায় রাখতে পারি।


প্রযুক্তির সমস্ত সৃষ্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রয়োজন মেটানো। তবে আমরা কি প্রয়োজনীয় ব্যবহারে আজ মোবাইল ফোন ব্যবহার করছি? না করছি না। এখন মনে হচ্ছে, আগেই ভালো ছিলো। অন্ত্যত মিনিট প্রতি কথার মূল্য ছিল, আর এখন কোন টাকাই লাগে না ভেবে কথার মূল্য যেন চলে গেছে সরে সবার মধ্যে থেকে। এর মূল কারণ, অপ্রয়োজনীয় আলাপ, অথবা সময় কাটানো।


চ্যাটিং -এর উৎস হচ্ছে চিঠি; কিন্তু, কাগজে নয়, মোবাইলের মাধ্যমে সরাসরি বার্তা আদান-প্রদান। আমরা কি একই সাথে ৮ টা চিঠি পড়তে পারি। তা সম্ভব নয়। একটা একটা করে পড়তে হবে, চিঠিগুলো বুঝতে। অন্যদিকে, চ্যাটিং কি একটা একটা করে করি আমরা? নাহ করি না, একই সাথে সবার সাথে করি । একমাত্র এই কারণে আমরা কোন মানুষকেও মূল্য দিতে পারিনা এখন; মানুষের পরিস্থিতি বা মন'ও কেউ বুঝিনা, অনেকটা অবহেলা থাকে, পাত্তা দেয়া হয় না কাউকেই সমান। কারণ, এক একজন এক এক রকম মনোভাব প্রকাশ করে।


শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় তাগিদে যদি সঠিক উপায়ে আমরা প্রযুক্তি ব্যবহার করি, তবে আজ আমাদের দেশে এতো হানাহানি, ভুল বুঝাবুঝি, ভালোবাসার ভাংগন ইত্যাদি কষ্টগুলো পেতে হতো না। ফোন আছে বলেই যে আমাদের কথা চালাতে হবে তা ভুল, এতে নিজেরই ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তারপর আবার, কথা বলি এখন আংগুল দিয়ে। কোন কিছু পড়তে গেলে তা সেভাবেই আমরা পড়ি, যেভাবে আমাদের মনের পরিস্থিতি বিরাজমান থাকে। কারো সামনাসামনি কথা বলতে গেলে পরে, আমরা তাদের চেহারা দেখে তাদের পরিস্থিতির ধারণা পাই, আর তাই বুঝতে পারি কেমন আচরণ সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু, ফোনে কথা বলে অনবরত এবং চ্যাটিং-এ মেতে থেকেও সারাক্ষন, আমরা কি কারো পরিস্থিতি বিবেচনা করতে পারি? আগে মানুষ মনের টানে চলে যেতো অন্য আরেকজনকে দেখতে ও কথা বলতে। ফোন নিয়েই যদি মেতে থাকি আর ভালোবাসার প্রকাশ এবং প্রচারণা চালাই, তবে সেটা ফোনের টান, মনের না; মূল কথা হচ্ছে - কোন কিছু নিয়ে ব্যস্ত হতে পারছিনা বিধায় ফোনে সময় কাটাচ্ছি, ইংরেজিতে যাকে বলে TIME PASS.


আজ আমরা শখের বশে স্বন্তানের হাতেও তুলে দিচ্ছি ফোন, গড়ে তুলছি করে যন্ত্র। যেখানে তাদের জানবার কথা প্রকৃতির সব কথা, সেখানে তারা জানছে যান্ত্রিক সব প্রথা। প্রয়োজন মেটান, সময় না ঘুচিয়ে; তাহলেই সমাজ ফিরে আসবে, মানুষের ভালোবাসাগুলোরও ভাংগন হবে না। মিথ্যা বলার চর্চাও কমে যাবে। কথার মূল্য বাড়বে।। ধন্যবাদ।।





Wednesday, July 8, 2020

OFFER OR PROPOSAL TO GET LOVE

DON’T OFFER OR PROPOSE

— John Ovi Rozario


DON’T OFFER OR PROPOSE
TO GET OR TO GIVE LOVE.

LOVE IS A FEELING,
NOT ABOUT DEALING.
OFFERS & PROPOSALS BELONG
TO BUSINESS, NOT TO HEARTS.

YOU CAN LOVE ANYONE,
AND EVEN EVERYONE,
IF YOU GIVE OTHERS
A CHANCE TO LOVE YOU TOO.

YOUR LOVE IS YOUR OWN —
CHERISHED BY YOU ALONE.
YOU DON’T NEED APPROVAL
TO LOVE WHO YOU DO.

BE LOYAL TO THOSE
YOU TRULY CARE FOR.
AND NEVER SHARE YOUR LOVE
BETWEEN LOVES —
FOR HEARTS TURN JEALOUS,
WHEN THEY KNOW THEY’RE NOT ALONE.







প্রস্তাব দিও না, প্রস্তাব নাও না

— জন অভি রোজারিও

প্রস্তাব দিও না, প্রস্তাব নাও না,
ভালোবাসা পেতে বা দিতে।

ভালোবাসা এক অনুভূতি,
এটা কোনো লেনদেন নয়।
প্রস্তাব ও অফার মানায় শুধু
ব্যবসার ক্ষেত্রে, অনুভূতিতে নয়।

তুমি ভালোবাসতে পারো যাকে খুশি,
এমনকি সবার প্রতিও ভালোবাসা দিতে পারো,
যদি তুমি অন্যদের সুযোগ দাও
তোমাকে ভালোবাসার।

তোমার ভালোবাসা তোমারই,
তোমার অনুভবেই তা বেঁচে থাকে।
তুমি ভালোবাসবে কিনা, তা নির্ভর করে
শুধু তোমার উপর, কারো উত্তরের উপর নয়।

যাদের সত্যিই ভালোবেসেছো,
তাদের প্রতি থেকো বিশ্বস্ত।
ভালোবাসা ভাগ করো না অন্যের সাথে,
কারণ, সবাই হিংসা করে,
যখন তারা জানে —
তুমি একই সময়ে আরেকজনকেও ভালোবাসো...

JOIN GROUP ON FACEBOOK: SOLUTION OF LIFE PROBLEMS 

(CLICK HERE)

Friday, April 3, 2020

চিন্তা ও ভাবনা | Think & Tension | John Ovi Rozario

TENSION = চিন্তা


THINK = ভাবনা


সবাই বলে শুধু চিন্তা করতে আমাকে, যা আমি করি না। আমি ভাবি। আমরা TENSION করি বলেই কোন সমাধান পাইনা।









TENSION = Worry
THINK = Thought
Everyone tells me to “just stop overthinking,”
but the truth is—I don’t worry. I think.
We never find solutions because we keep worrying
instead of thinking deeply.


— [John Ovi Rozario]

Thursday, December 5, 2019

PULL OF THE HEART | মনের টান | John Ovi Rozario



মনের টান

এক সময় মানুষ একে অন্যের কাছে ছুটে যেত, মনের টানে। মনে পড়লেই একে অন্যের খোঁজ নিতো।।
এখন সময় বদলে গেছে। প্রযুক্তির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারের ফলে, ধীরে ধীরে সবাই এখন ভুলেই গেছে যে, মনের টান বলতে কিছু একটা আছে! এখন মানুষ মানুষের কাছে যায়, ফোনের টানে। অর্থের টানে। সম্পত্তির টানে।।
আমাদের মন অনেক কিছু চায়। কিন্তু, আমরা দিতে পারি না। মনের চাওয়া যদি পূরণ না করি তবে, মানুষ হয়েই ব্যর্থ। আমাদের মন'টাকে চাইলেই খুব সহজেই আমরা মানাতে পারি। কিন্তু, আমরা মানাতেই চাই না। আমাদের মনে কোন মানুষের কথা বা কোন স্মৃতি অহেতুক বা অযথা আসে না, কারণেই আসে, কাছে টানতে ডাকে। " মনে পড়ে " কথাটা মুখে বলি ঠিকই, কিন্তু বাস্তবে আর রূপ দেই না। যন্ত্রের মাধ্যমে বা প্রযুক্তির কৌশলে সেটার প্রমাণ করবার আশা করি।।
মনের কথা যদি মনেতেই থাকে। তবে, কষ্ট বুকে আজীবনই রবে। এটাই বাস্তবতা। মনের কথা ঝেড়ে ফেললেই, সেটা আর মনে কষ্ট হয়ে হানা দেয় না। ধন্যবাদ।।

Monday, September 2, 2019

মৃত্যুবরণ

মৃত্যুবরণ


জন্ম নিলে মৃত্যুবরণ করতেই হবে। এটাই চিরন্তন সত্য এবং ঘটমান।



######

এই পৃথিবীতে আমরা ক্ষনিকের অতিথি মাত্র। কেউ আমরা আজীবন বেঁচে থাকতে আসিনি। আমাদের জন্ম নেয়ার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মৃত্যুবরণ করা। যদি ভেবে থাকি যে, ঈশ্বর যা করছেন সবই আমাদের মানুষের জন্য, তবে তা ভুল। ঈশ্বর মানুষের জন্য কিছুই করছেন না। তিনি যা করছেন, সবই "মাটি'র" জন্য। হ্যা মাটি, যে মাটির উপর আমরা দাঁড়িয়ে আছি, সেই মাটির জন্য। অনেকে হয়তো এই কথাটি মানতে পারবো না আমরা। কিন্তু, প্রাকৃতিক দিক দিয়ে যদি বিবেচনা করি তবে আমরা দেখবো, আসলেই তাই হচ্ছে।


 ঈশ্বর যদি মানুষের জন্যে সব করতেন, তবে তিনি মানুষকে মারতেন না, বাঁচিয়ে রাখতেন। আমরা হচ্ছি "খাদ্য"; মাটির খাদ্য। মাছ, মাংস খেয়ে আমরা যেমন মাছের কাঁটা বা মাংসের হাড্ডি প্লেটের কোণায় রেখে দেই ও ফেলে দেই; ঠিক তেমনি আমাদের হাড় বা হাড্ডিও রেখে দেয়া হয় অবশিষ্ট হিসেবে। ঈশ্বর এই মাটিকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রয়োজনে সমস্ত প্রাণীর জীবন নিয়ে নিবেন, তবু এই মাটিকে তিনি বাঁচিয়ে রাখবেন।




######



আমরা মানুষ, বেঁচে থাকি বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে। এমনকি খাবার-দাবাড় যা-ই কাই না কেন, তা সবই বিশ্বাসের জোরেই আসে। আমরা বিশ্বাস করি বিধায় আমরা বেঁচে থাকি। যেদিন বিশ্বাস করতে পারবো যে মৃত্যুবরণ করবো, সেদিন ঠিকই আমাদের মৃত্যু ঘটবে। কিন্তু, আমরা তো বিশ্বাসই করতে পারবো না যে মৃত্যুবরণ করবো, আর সেই বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করেই আমরা বেঁচে আছি ও থাকি।


আমরা মানুষ প্রকৃতির অংশ, যদিও আজ তা সবাই ভুলে গেছি। আমাদের নিজেদের যে কোন ঘটনা বা পরিস্থিতি প্রাকৃতিক উপায়ে বিশ্লেষণ করবার কথা, আদৌ কি আমরা তা করছি? যে কোন কিছু ঘটলে পরেই আমরা সেটার বিশ্লেষণ করি বৈজ্ঞানিক উপায়ে। আমরা তো যন্ত্র নই, তবে কেন নিজেদেরকে যন্ত্রের সাহায্যে যাচাই করি?


মৃত্যু হচ্ছে মানুষের চূড়ান্ত ধাপ। মৃত্যু যদি আমার বিশ্বাসে গেঁথে থাকে, তবে তা যে কোন উপায়ে হলেও হবে। হোক সে - আত্মহত্যা, রাস্তায় এক্সিডেন্ট অথবা হাসপাতালের বিছানায়। এখন হয়তো মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, কেমন করে এই মৃত্যুবরণের বিশ্বাস মানুষের মধ্যে উঁকি দেয়? 


-------- অনেক সময় পত্রিকায় আমরা বাস বা গাড়ি দূর্ঘটনার সংবাদ শুনি ও দেখি। যে দূর্ঘটনা হয়েছে বা ঘটেছে সেটার প্রতি যদি নজর দেয়া যায় তবে বুঝতে পারবো যে, দূর্ঘটনায় কিন্তু সমস্ত যাত্রী মৃত্যুবরণ করেনি, অনেক আহত হয়েছেন, আবার অনেকের একেবারেই কিছু হয়নি। কেন এরকম হয়? আসল কথা, যখন দূর্ঘটনা ঘটেছে ঠিক সেই মুহুর্তে যারা মনে করেছে যে তারা আর বেঁচে থাকবে না, তারা ঠিকই চিরতরে বিদায় নিয়েছে ও মৃত্যুবরণ করেছে। অন্যদিকে, যারা ভেবেছে যে তাদের কোনকিছুই হবে না, প্রকৃত পক্ষে তাদের কিছুই হয়নি। আবার কিছু কিছু মানুষ দোটানায় ছিলো বাঁচবে কি মরবে তা নিয়ে, আর তারাই আহত হয়েছে, জন্ম মৃত্যুর সাথে লড়াই করে চলেছে। হয়তো এখন বিশ্বাস-এর জোর সম্পর্কে আমাদের অনেকটা জানা হয়েছে।







০২/০৯/২০১৯ ( সোমবার )

Sunday, October 14, 2018

Love and Hate | Friend and Enemy | Kin and Strangers | ভালোবাসা এবং ঘৃণা | বন্ধু এবং শত্রু | আপন ও পর


(১) ভালোবাসা এবং ঘৃণা - চাইলেই কাউকে ঘৃণা করা যায় না। ঘৃণা একমাত্র তাকেই করা যায়, যাকে ভালোবাসা যায়। এখন কেউ যদি বলে "আমি তোমাকে ঘৃণা করি"; তবে বুঝে নিতে হবে যে, সে তাকে ভালোবাসে, আর তাই, সে তাকে ঘৃণা করতে পারছে।


(২) বন্ধু এবং শত্রু - চাইলেই কেউ কোনদিনও অচেনা বা আশেপাশের চেনা জানা লোকজনের শত্রু হতে পারে না। শত্রু সে-ই হতে পারে, যে বন্ধুত্ব করে বন্ধু হয়েছে। যে বন্ধু-ই হতে পারে নি, সে আবার শত্রু হবেই বা কি করে?


(৩) আপন মানুষের সম্পৃত্ততা বা সহযোগিতা ছাড়া কোন পর মানুষ এবং কেউই কখনো কারো ক্ষতি কোন প্রকারেই করতে পারে না। তাই কোন ক্ষতি হলে বুঝে নিতে হবে যে, যাদেরকে নিজের আপনজন বলে ভাবা হয়, তাদের মধ্যেই কেউ না কেউ আছে যারা এই ক্ষতির সাথে - তথ্য বিনিময় এবং কোন না কোন ভাবে জড়িত। কারণ, আপনার আপন মানুষেরাই আপনার সবকিছুর বিস্তারিত জানে, বাইরের কেউ নয়।।





Saturday, September 1, 2018

মিথ্যা কথা

মিথ্যা কথা - এর মূল অর্থ হচ্ছে : এটি অবাস্তব কিছু। যা ঘটেনি, এমনকি ঘটবে কিনা আদৌ, তাতো কেউ জানে না। তবুও, এমন কল্পনা করে সাজিয়ে কিছু একটা বলা। যা অবাস্তব, আমাদের চোখের সামনে ঘটেনি, জেনেও আমরা এমন কিছু কল্পনা অন্যের তরে বাস্তব করে গড়ে রূপ দিতে চাই। কিন্তু, ভুলেই যাই যে, কথাগুলো আমাদের আলাদা ভাবে মনে রাখতে হয়। তাই, ভুল করে অদেখা সেই কথাগুলোও এক সময় ভুলে যাই। আর তখনই, অন্যের কথার জালে জড়িয়ে যাই। তারপর, মিথ্যে বলার পরিহাস করে যেতে হয় ভোগ।


" মিথ্যা কথা মনে রাখতে হয়,
কিন্তু, সত্য নয়।
সত্য কথা থাকে বাস্তবে আর চোখের পাতায়,
চোখের ভুল কি কখনো আমাদের হয়? "


Monday, July 23, 2018

BASIC NEED NO. 6 | মৌলিক চাহিদা নং. ৬ - "শখ" | John Ovi Rozario


"কষ্ট আর কষ্ট! সুখ পেলাম না কাজ করতে করতে। তবুও, সংসারে অশান্তি! পরিবারের শখ মেটাতে পারি না!"

একটা পুরুষ যখন পরিবারের ৫ টি মৌলিক চাহিদা মেটাতে পারে, তখনই তাকে স্বাবলম্বী হিসেবে গণনা করা হয় এবং তার নিজ সংসার গড়ার জন্য যোগ্য হয়। আর সেগুলো হলো - খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা। কিন্তু, বর্তমান বিশ্বে নতুন আরেকটি মৌলিক চাহিদা যুক্ত হয়েছে; এবং তা হলো "শখ"! পরিবারের ৫ টি মৌলিক চাহিদা পূরণ সব পুরুষের পক্ষেই সম্ভব ছিল। কিন্তু, আজ পরিবার টিকে রাখানোই সম্ভব নয় শখ পূরণ না করতে পারলে। আর আজ তাই চারিদিকে এতো দুর্দশা।

"শখ'গুলো" যাদের, তাদের তো তা নিজেদেরই তা মেটানোর কথা, তাই না?? আমাদের শিক্ষাতেই ভুল তবে বলতে হবে। যার যার শখ তার তার কাছে। আর এই শখ মেটানোর পিছে লেগে আজ পরিবারকে হাটতে হচ্ছে কালো ও মিথ্যা পথে। আমরা শখ মেটাই বিধায় আজ এটা মৌলিক চাহিদায় পরিণত হয়েছে বলতে বাধ্য হচ্ছি।

স্বন্তানেরাও তাই শিখছে ও নির্ভর করছে অন্যের উপর।
ভেবে দেখুন। তাই কি হচ্ছে না? শখ মেটাতে গিয়ে নিজের সব সুখ কি মাটি হচ্ছে না?? যে সম্মান পরিবারে ছিলো, তাও বরং চলে যাচ্ছে ও শেষ হয়ে যাচ্ছে না মেটাতে পারলে।


উপহার এবং শখ -এর মধ্যে একটা পার্থক্য আছে। উপহার হিসেবে কিছু পেলে মানুষ তা কদর করে, যেমন- জন্মদিনের উপহার, ঈদের উপহার। কিন্তু, কারো শখ পূরণ করে দিলে মানুষের চাহিদা কেবল বাড়তেই থাকে। নিজের শখ তাই নিজেই পূরণ করা উচিত। 


(০৩:০১)(২৬/০৭/২০১৭)





Basic Need No. 6 - "Hobby"

#Basic_Need_No_06
#Hobby

"Hardship after hardship! I never found happiness while working. Yet, there is unrest in the family! I cannot fulfill the family's hobbies!"

When a man can meet the 5 basic needs of the family, only then is he considered self-reliant and worthy of establishing his own household. And those are — food, clothing, shelter, education, and healthcare. But, in today's world, a new basic need has been added; and that is "hobby"! It was possible for every man to fulfill the 5 basic needs of the family. But today, the family cannot be sustained without fulfilling hobbies. That is why there is so much hardship all around today.

Those who have "hobbies," it is their own responsibility to fulfill them, right? But we must say that there is a fault in our education system. Everyone has their own hobby. And behind fulfilling these hobbies, families today are forced to walk on dark and false paths. Because we fulfill hobbies, I am forced to say that it has become a basic need today.

Children are also learning this and becoming dependent on others. Think about it. Isn't this what is happening? In fulfilling hobbies, isn’t one losing all their own happiness? The respect that was in the family is also disappearing and ending if hobbies are not fulfilled.

There is a difference between gifts and hobbies. When people receive something as a gift, they value it, like birthday presents or Eid gifts. But when someone's hobby is fulfilled, people's demands only increase. Therefore, one should fulfill their own hobbies themselves.

Sunday, July 9, 2017

Theory Of Being Positive

Theory Of Being Positive:


(SITUATION) (POSITION) = (RESULT)
·         ( + ) ( + ) = ( + )
·         ( + ) ( - ) = ( - )
·         ( - ) ( - ) = ( + )









See More On Following Links :



Wednesday, June 14, 2017

Uses Of Calendar | ক্যালেন্ডার বা দিন পঞ্জিকার ব্যবহার | John Ovi Rozario



ক্যালেন্ডারের সব তারিখ লেখা ঘরগুলো শুণ্য ও ফাঁকা থাকা দরকার। তবে মানুষ আর অহেতুক ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাববে না ও স্বপ্ন দেখবে না, আর অন্য কাউকে দেখাবেও না। প্রতিটি দিন পেরিয়ে যাবে আর প্রতিদিন মানুষ নিজে তারিখ লিখবে শুণ্য ঘরগুলোতে। তবেই মানুষ বর্তমানের কথা ভাববে ও রাঙাতে চাইবে। এবং বাস্তবে তাই হবার কথা। আগামী আসবে তারিখগুলো লেখা আছে দেখেই মানুষ ভবিষ্যৎ নিয়ে এতো পরিকল্পনা করতে পারছে।


Colour Your Today. Day And Night Given To You To THINK. Not Tomorrow.




(03:23)(31/05/2017)




All the date boxes in the calendar should remain empty and blank. However, people should no longer unnecessarily worry or dream about the future, nor try to show off to others. Each day will pass, and every day, people will write the date themselves in the empty boxes. Only then will people focus on and want to brighten the present. And in reality, that is how it should be. The future comes with the dates already written, yet people can plan so much ahead by seeing them.

Colour Your Today. Day And Night Are Given To You To THINK. Not Tomorrow.


(03:23)(31/05/2017)

পথের দর্শন - জীবন ও সিদ্ধান্ত

   Thoughts | Inspiration | Motivation | | Poetry | Quotes | Fact | Truth | Solution of Life | Problems | John Ovi Rozario | BENGALI VERSION...